ভুল মানুষের জার্নাল
মানুষের ছায়া দিয়ে, সুর দিয়ে গড়া
সবচেয়ে আধুনিক, সবচেয়ে সৎ
আবহ
তা নিয়েই দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হোক আলোচনা
‘কথার ভিতরে সেই মাদুরের মণিহারি বোনা’
এলোমেলো চুল, মাথাপিছু প্ররোচনা
ছোটো ছোটো সত্যে আজ চমকে উঠছে মন
এ নিয়েই দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হোক আলোচনা
মনখারাপ, জ্বর
দেখে-শুনে এসো কিন্তু কাদা আছে, পুজো, পৃষ্ঠপোষকতা ও পাহারা ফেলে
চলে এসো এদিকটায়। আকাশে সুতার চাঁদ, জোনাক-মেশানো
আবছা কিছু ঘর ; শুকনো কাশির আওয়াজ? ও তো চাঁদ সদাগর!
ওই শীতলার থান, ওই সেই কালিদহ ; ওর ভ্রু-র নীচে
রূপসি আবহ সবচেয়ে গাঢ়, এই ডুলি চম্পা ফুল, নাকে নিয়ে দ্যাখো
নারীর বুকের গন্ধ; চেনা লাগল? তোমার এ ধন্দ
খুব দ্রুত উঠে যাচ্ছে নীরব অনন্তলতা বেয়ে তন্ময়ের বাঁদিকের চালে
নেমে আসছে খাঁ-খাঁ রসকলি হয়ে কপালে-কপালে
(তাদের মিলিত সংখ্যা অজস্রের চেয়ে কিছু বেশি)
তোমার পশ্চিম কাঁধে হাত রেখে উহাদের সাম্য হতে দাও
নাও, দ্রুত পা চালাও, কিছুটা এগিয়ে বিশুপাগ্লার আসন
সেখানেই যাব মন, মাধুর্য বোষ্টুমি শোনাবে ডাগর গান
আত্মপরিচয়হীন আনন্দ-ভৈরবী...
উপাসক
তোমার ঘুমন্ত মাথা কোলে নিয়ে মনে
কাল পোকা কেটেছিল আমাকে গোপনে
পাছে তুমি চিনে ফেল উপাসক বলে
পরিচয়
ঘেন্না ধরে গেছে সব ভবিতব্যতায়
মানচিত্র, আলপথ, শম্ভু, ইয়াসিন
সব মিলে আজও আমরা কত অসহায়...
খুলেছি মায়ের শাড়ি, বোনের ইজের
আমারই রক্ত আমি মুছে ফেলি ঘাসে
আমার প্রমাণ-লাশ লুকিয়েছি নিজে ।
হয়েছি প্রতিশাসক বিষন্ন, স্বাধীন
প্রস্তুত উলঙ্গ-মঞ্চ... রাজায়-প্রজায়
আজি হবে পরিচয় ঘনিষ্ঠ-কঠিন ।