Skip to main content
विक्रमसंवत् २०८३
शुक्रवासरः · २५ सितम्बर २०२६
आनुपूर्वी संस्कृतम्
✦ अतीतानागतयोः सन्धौ ✦
पूर्वम-सङ्गोष्ठी संवादश्च
पाण्डुलिपिः प्रेष्यताम्
পাঁচটি কবিতা —রাহুল বিদ
20 निमेषाणां पठनम्

পাঁচটি কবিতা —রাহুল বিদ

তোমাকে বুঝিনি আমি, তবে জানি এই দীর্ঘ পথ
মানুষের ছায়া দিয়ে, সুর দিয়ে গড়া
সবচেয়ে আধুনিক, সবচেয়ে সৎ
लेखकः
আশ্বিন ১৪৩৩
अक्षराकारः:
साझा तथा फ़ीड: RSS
कविता १

ভুল মানুষের জার্নাল

তোমাকে বুঝিনি আমি, তবে জানি এই দীর্ঘ পথ
মানুষের ছায়া দিয়ে, সুর দিয়ে গড়া
সবচেয়ে আধুনিক, সবচেয়ে সৎ
❦   ~   ❦   ~   ❦
कविता २

আবহ

আজ বস্তু ছেড়ে আলো কিছুতেই যেতে যে চাইছে না
তা নিয়েই দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হোক আলোচনা
‘এতো মায়া’ বলেছিল নির্জন মানুষ বলেছিল
‘কথার ভিতরে সেই মাদুরের মণিহারি বোনা’
লোকায়ত কালচে হিমে ভিজে যাচ্ছে পুরোনো কামান,
এলোমেলো চুল, মাথাপিছু প্ররোচনা
ছোটো ছোটো সত্যে আজ চমকে উঠছে মন
এ নিয়েই দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হোক আলোচনা
❦   ~   ❦   ~   ❦
कविता ३

মনখারাপ, জ্বর

এসো, খুব আস্তে আস্তে এদিকটায় চলে এসো তুমি
দেখে-শুনে এসো কিন্তু কাদা আছে, পুজো, পৃষ্ঠপোষকতা ও পাহারা ফেলে
চলে এসো এদিকটায়। আকাশে সুতার চাঁদ, জোনাক-মেশানো
আবছা কিছু ঘর ; শুকনো কাশির আওয়াজ? ও তো চাঁদ সদাগর!
ভাঙন ও ভাবোন্মেষ বুকে নিয়ে এই আমাদের গ্রাম, দিকশূন্যপুর!
ওই শীতলার থান, ওই সেই কালিদহ ; ওর ভ্রু-র নীচে
রূপসি আবহ সবচেয়ে গাঢ়, এই ডুলি চম্পা ফুল, নাকে নিয়ে দ্যাখো
নারীর বুকের গন্ধ; চেনা লাগল? তোমার এ ধন্দ
খুব দ্রুত উঠে যাচ্ছে নীরব অনন্তলতা বেয়ে তন্ময়ের বাঁদিকের চালে
নেমে আসছে খাঁ-খাঁ রসকলি হয়ে কপালে-কপালে
সামনে তাকিয়ে দ্যাখো আলে-আলে হেঁটে আসছে ছোটো ছোটো হাওয়া
(তাদের মিলিত সংখ্যা অজস্রের চেয়ে কিছু বেশি)
তোমার পশ্চিম কাঁধে হাত রেখে উহাদের সাম্য হতে দাও
নাও, দ্রুত পা চালাও, কিছুটা এগিয়ে বিশুপাগ্‌লার আসন
সেখানেই যাব মন, মাধুর্য বোষ্টুমি শোনাবে ডাগর গান
আত্মপরিচয়হীন আনন্দ-ভৈরবী...
(বাংলা কবিতার পাঠক সহজেই বুঝবেন এই কবিতায় সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এবং অন্যান্য কবিদের কবিতার শব্দ, বাক্য ও বাক্যাংশ ব্যবহার করা হয়েছে।)
❦   ~   ❦   ~   ❦
कविता ४

উপাসক

বসে আছি, আমি ঠায় বসে আছি হাজার বছর
তোমার ঘুমন্ত মাথা কোলে নিয়ে মনে
অমরাবতীর এক অন্ধকার রাতে
কাল পোকা কেটেছিল আমাকে গোপনে
রক্ত আজও পড়ে যাচ্ছে মিশে যাচ্ছে ভোরের বটফলে
তবু জাগাইনি আমি তোমাকে বাশুলী
পাছে তুমি চিনে ফেল উপাসক বলে
❦   ~   ❦   ~   ❦
कविता ५

পরিচয়

অতীত পোড়ার গন্ধে বুঁদ হয়ে আছি
ঘেন্না ধরে গেছে সব ভবিতব্যতায়
মানচিত্র, আলপথ, শম্ভু, ইয়াসিন
সব মিলে আজও আমরা কত অসহায়...
আমাকে মেরেছি আমি আপন সন্ত্রাসে
খুলেছি মায়ের শাড়ি, বোনের ইজের
আমারই রক্ত আমি মুছে ফেলি ঘাসে
আমার প্রমাণ-লাশ লুকিয়েছি নিজে ।
এবারে সেজেছি আমরা স্বয়ং-মাত্রায়
হয়েছি প্রতিশাসক বিষন্ন, স্বাধীন
প্রস্তুত উলঙ্গ-মঞ্চ... রাজায়-প্রজায়
আজি হবে পরিচয় ঘনিষ্ঠ-কঠিন ।
महत्त्वपूर्णा सूचना अत्र प्रकाशितानि लेखकानाम्, अतिथीनाम् अन्यसहभागिनां च मतान्येव तेषां वैयक्तिकानि सन्ति। एतानि मतानि Poorvam इत्यस्य नीतिम्, स्थितिं वा अधिकृतं मतं न प्रतिबिम्बयन्ति।
स्वामित्वं नियमाश्च: इयं रचना Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International (CC BY-NC-ND 4.0) अनुज्ञापत्रान्तर्गतेन प्रकाशिता। मूललेखकस्य नाम्नः ‘आनुपूर्वी’ पत्रिकायाश्च संदर्भनिर्देश-सापेक्षम् अवाणिज्यिक-उपयोगाय उन्मुक्ता।
creative commons

वयं ज्ञानस्य सूचनायाश्च अबाध-प्रवाहे विश्वसिमः

क्रियेटिव कॉमन्स अनुज्ञापत्रस्य अन्तर्गतम् अस्माकं रचनाः निःशुल्कम् अन्तर्जाले मुद्रणे वा पुनः प्रकाशयन्तु।

Rahul Bid R
लेखकपरिचयः
परिचयः →

Rahul Bid

কবি

শূন্য দশকের একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি। পেশায় শিক্ষক। প্রথম কবিতার বই জীবন ফার্মেসি। বাড়ি সিউড়ী, বীরভূম।

अधिकं पठन्तु

कविता 5 निमेषाः

অনাহতলেখ

कविता 10 निमेषाः

দশমহাবিদ্যা