Skip to main content
विक्रम संवत २०८३
रविवार · १ नवंबर २०२६
आनुपूर्वी हिन्दी
✦ अतीत और अनागत के संधिकाल में ✦
आगामी कार्यक्रम 22 Nov 2026
Exploring Enduring Colonialism: Classical Presences and Modern Absences in Indian Philosophy
A Raghuramraju
रचना भेजें
RSS Feed
Amiya Kumar Das
সাহিত্যিক ও চিন্তক
PID: PV-2026-1829

Amiya Kumar Das

आनुपूर्वी में साहित्य, दर्शन एवं विचारपरक रचनाओं के लेखक। नीचे लेखक की प्रकाशित रचनाएँ संकलित हैं।

सक्रिय फ़िल्टर: लेखक: Amiya Kumar Das × पहुँच: मुक्त पाठ × सभी फ़िल्टर हटाएं

Amiya Kumar Das की रचनाएँ

4 रचनाएँ उपलब्ध
বুন মাঞ্চি
मुक्त पाठ
कहानी 11 मिनट

বুন মাঞ্চি

উত্তরবঙ্গের এক নির্জন পাহাড়ি জঙ্গলের ফায়ার ওয়াচ টাওয়ারে একা পাহারা দেয় অর্ক। এক ঝড়ের রাতে টাওয়ারের নিচে সে দেখতে পায় এক রহস্যময় কালো অবয়ব। কিছুক্ষণ পর সেই অদৃশ্য সত্তা টাওয়ারের ছাদে উঠে আসে এবং ভেঙে ফেলা জানলা দিয়ে তার লোমশ হাত ঘরের ভেতর ঢুকিয়ে অর্ককে খুঁজতে থাকে। পরদিন বনকর্মীদের কাছ থেকে অর্ক জানতে পারে, বহু বছর আগে একই টাওয়ার থেকে এক পাহারাদার রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়েছিল। পাহাড়ি লোককথায় সেই অজানা সত্তার নাম—‘বুন মাঞ্চি’, যে মানুষের গন্ধ শুঁকে তাকে খুঁজে বের করে। প্রাণে বেঁচে গেলেও সেই রাতের আতঙ্ক অর্কের জীবন থেকে আর কখনও মুছে যায় না।

বাঙালির দুর্গোৎসব
मुक्त पाठ
लेख 17 मिनट

বাঙালির দুর্গোৎসব

প্রবন্ধটিতে বাংলার দুর্গাপূজার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সময়ের সঙ্গে তার বিবর্তন তুলে ধরা হয়েছে। প্রাচীন দেবী-আরাধনা ও দেবীমাহাত্ম্য থেকে শুরু করে বাংলায় দুর্গাপূজার বিকাশ, বনেদি বাড়ির পূজা, বারোয়ারি ও সর্বজনীন দুর্গোৎসব, আধুনিক থিম পুজো এবং UNESCO-র স্বীকৃতি—বিষয়গুলি ধারাবাহিকভাবে আলোচিত হয়েছে।

মহিষাসুরমর্দিনী ও বাঙালির মহালয়া
मुक्त पाठ
लेख 11 मिनट

মহিষাসুরমর্দিনী ও বাঙালির মহালয়া

মহালয়ার ভোর, বাঙালির আবেগ এবং ‘মহিষাসুরমর্দিনী’-র দীর্ঘ ইতিহাস নিয়ে এই প্রবন্ধ। বাণীকুমার, পঙ্কজকুমার মল্লিক ও বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের অবদানের পাশাপাশি ১৯৭৬ সালে অনুষ্ঠানটি বন্ধ হওয়া ও শ্রোতাদের প্রতিক্রিয়ার কথাও এখানে তুলে ধরা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত কীভাবে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ বাঙালির দুর্গোৎসবের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে, সেটিই প্রবন্ধের মূল বিষয়।

অচেনা সেই সুর
मुक्त पाठ
कहानी 17 मिनट

অচেনা সেই সুর

বর্ষার সন্ধ্যায় লোডশেডিংয়ের সময় সাধনজেঠু তাঁর জীবনের একটি অলৌকিক ঘটনা শোনান। যুবক বয়সে নদীয়ার শিবপুর গ্রামে হিসাবরক্ষকের কাজ করার সময়, এক বৈশাখী রাতে শিক্ষক ফণীভূষণবাবুর সঙ্গে হরিনাম শুনে ফেরার পথে তাঁরা জলঙ্গী নদীর চরে নীল আলো এবং চারজন রহস্যময়ী নারীকে দেখতে পান। তাঁদের একজনের অলৌকিক গানে আচ্ছন্ন হয়ে দুজনে অজান্তেই গভীর জলে নেমে যান। দূর থেকে হরিনামের সুর ভেসে এলে ঘোর কাটে এবং সাধনবাবু ফণীভূষণবাবুকে ডুবতে থাকা জল থেকে উদ্ধার করেন। পরদিনও সেই অপার্থিব ঘটনার কোনো উত্তর খুঁজে পাওয়া যায়নি; জীবন এমন কিছু রহস্য বয়ে বেড়ায়, যার সব ব্যাখ্যা হয় না।