Skip to main content
विक्रमसंवत् २०८३
शनिवासरः · ३१ अक्तूबर २०२६
आनुपूर्वी संस्कृतम्
✦ अतीतानागतयोः सन्धौ ✦
आगामी कार्यक्रमः 31 Oct 2026
Exploring the Place of Devotion: Siting and Experiencing Divinity in Bengal-Vaishnavism
Sukanya Sarbadhikary
पाण्डुलिपिः प्रेष्यताम्
RSS Feed
Amiya Kumar Das
সাহিত্যিক ও চিন্তক
PID: PV-2026-1829

Amiya Kumar Das

आनुपूर्व्यां साहित्य-, दर्शन- विचारप्रधानरचनानां लेखकाः। अधः लेखकेन प्रकाशिताः सर्वाः रचनाः सङ्कलिताः सन्ति।

सक्रियशोधनम्: लेखकः: Amiya Kumar Das × सर्वं शोधनम् अपसारयतु

Amiya Kumar Das इत्यस्य रचनाः

4 रचनाः उपलभ्यन्ते
বুন মাঞ্চি
मुक्तपठनम्
कथा 11 निमेषाः

বুন মাঞ্চি

উত্তরবঙ্গের এক নির্জন পাহাড়ি জঙ্গলের ফায়ার ওয়াচ টাওয়ারে একা পাহারা দেয় অর্ক। এক ঝড়ের রাতে টাওয়ারের নিচে সে দেখতে পায় এক রহস্যময় কালো অবয়ব। কিছুক্ষণ পর সেই অদৃশ্য সত্তা টাওয়ারের ছাদে উঠে আসে এবং ভেঙে ফেলা জানলা দিয়ে তার লোমশ হাত ঘরের ভেতর ঢুকিয়ে অর্ককে খুঁজতে থাকে। পরদিন বনকর্মীদের কাছ থেকে অর্ক জানতে পারে, বহু বছর আগে একই টাওয়ার থেকে এক পাহারাদার রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়েছিল। পাহাড়ি লোককথায় সেই অজানা সত্তার নাম—‘বুন মাঞ্চি’, যে মানুষের গন্ধ শুঁকে তাকে খুঁজে বের করে। প্রাণে বেঁচে গেলেও সেই রাতের আতঙ্ক অর্কের জীবন থেকে আর কখনও মুছে যায় না।

বাঙালির দুর্গোৎসব
मुक्तपठनम्
लेखाः 17 निमेषाः

বাঙালির দুর্গোৎসব

প্রবন্ধটিতে বাংলার দুর্গাপূজার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সময়ের সঙ্গে তার বিবর্তন তুলে ধরা হয়েছে। প্রাচীন দেবী-আরাধনা ও দেবীমাহাত্ম্য থেকে শুরু করে বাংলায় দুর্গাপূজার বিকাশ, বনেদি বাড়ির পূজা, বারোয়ারি ও সর্বজনীন দুর্গোৎসব, আধুনিক থিম পুজো এবং UNESCO-র স্বীকৃতি—বিষয়গুলি ধারাবাহিকভাবে আলোচিত হয়েছে।

মহিষাসুরমর্দিনী ও বাঙালির মহালয়া
मुक्तपठनम्
लेखाः 11 निमेषाः

মহিষাসুরমর্দিনী ও বাঙালির মহালয়া

মহালয়ার ভোর, বাঙালির আবেগ এবং ‘মহিষাসুরমর্দিনী’-র দীর্ঘ ইতিহাস নিয়ে এই প্রবন্ধ। বাণীকুমার, পঙ্কজকুমার মল্লিক ও বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের অবদানের পাশাপাশি ১৯৭৬ সালে অনুষ্ঠানটি বন্ধ হওয়া ও শ্রোতাদের প্রতিক্রিয়ার কথাও এখানে তুলে ধরা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত কীভাবে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ বাঙালির দুর্গোৎসবের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে, সেটিই প্রবন্ধের মূল বিষয়।

অচেনা সেই সুর
मुक्तपठनम्
कथा 17 निमेषाः

অচেনা সেই সুর

বর্ষার সন্ধ্যায় লোডশেডিংয়ের সময় সাধনজেঠু তাঁর জীবনের একটি অলৌকিক ঘটনা শোনান। যুবক বয়সে নদীয়ার শিবপুর গ্রামে হিসাবরক্ষকের কাজ করার সময়, এক বৈশাখী রাতে শিক্ষক ফণীভূষণবাবুর সঙ্গে হরিনাম শুনে ফেরার পথে তাঁরা জলঙ্গী নদীর চরে নীল আলো এবং চারজন রহস্যময়ী নারীকে দেখতে পান। তাঁদের একজনের অলৌকিক গানে আচ্ছন্ন হয়ে দুজনে অজান্তেই গভীর জলে নেমে যান। দূর থেকে হরিনামের সুর ভেসে এলে ঘোর কাটে এবং সাধনবাবু ফণীভূষণবাবুকে ডুবতে থাকা জল থেকে উদ্ধার করেন। পরদিনও সেই অপার্থিব ঘটনার কোনো উত্তর খুঁজে পাওয়া যায়নি; জীবন এমন কিছু রহস্য বয়ে বেড়ায়, যার সব ব্যাখ্যা হয় না।